পুরস্কারটা সাকিবও পেতে পারত’

পুরস্কারটা সাকিবও পেতে পারত’

পুরস্কার বিতরণীর আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজারকে খুঁজতে লাগলেন তামিম ইকবাল! ‘সাকিব (আল হাসান) পুরস্কার পেলে তো ঠিকই কাছে থাকতেন’—মিডিয়া ম্যানেজারের সঙ্গে রসিকতা করতে করতেই সংবাদ সম্মেলন এলেন তামিম। সঙ্গে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার!

ম্যাচসেরার পুরস্কার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন—দৃশ্যটা ব্যতিক্রম বটে। ধারাবাহিক ভালো করছেন, ম্যাচসেরা হতে পারছেন না—আফসোস হয় না? কাল সংবাদ সম্মেলনে প্রসঙ্গটা উঠলে তামিম বলেছিলেন, ‘অ্যাওয়ার্ডস’ নয়; তিনি ‘রিওয়ার্ডসে’ বিশ্বাসী। অবশেষে পুরস্কার পেলেন। কেমন লাগছে? ‘আমি তো ভালোই অনুভব করছি। জানি না রাবিদ ইমামের (বিসিবির মিডিয়া ম্যানেজার) ভালো লাগছে কি না!’ আবারও তামিমের রসিকতা।

ম্যান অব দ্য ম্যাচের হ্যাটট্রিক সাকিবের হতেই পারত। কঠিন উইকেটে ৫১ রান করেছেন, বোলিংয়েও দুর্দান্ত, ছিলেন হ্যাটট্রিকের সামনে। সেটি না হলেও পেয়েছেন ৩ উইকেট। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারের ‘হ্যাটট্রিক’ করেই ফেলতেন। সেটি হয়নি। ম্যাচ অ্যাজুডিকেটরের চোখে যে তামিমই ছিলেন এগিয়ে।

ম্যাচসেরার পুরস্কারটা পাশে রেখে তামিম নিজেও বললেন, এটা উঠতে পারত সাকিবের হাতেও, ‘আগের সংবাদ সম্মেলনেও বলেছিলাম, পরিশ্রমের ফলে বিশ্বাস করি, আনুষ্ঠানিক পুরস্কারে নয়। আজও আমার আর সাকিবের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই (ম্যাচসেরার পুরস্কারের জন্য) ছিল। সে ফিফটি করেছে, শুরুতেই দুই উইকেট তুলে নিয়েছে। পুরস্কারটা যদি সে পেত, খারাপ লাগত না। আমি মনে করি সাকিবও এটা পাওয়ার যোগ্য।’

তামিমের পুরস্কারপ্রাপ্তিতে সাকিবেরও নিশ্চয়ই খারাপ লাগছে না! যিনিই পান, দিন শেষে সেটি তো বাংলাদেশেরই অর্জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*