জনপ্রিয় হচ্ছে ই-বাইক

জনপ্রিয় হচ্ছে ই-বাইক

যানজটের নগরীতে সময় বাঁচাতে ইলেকট্রিক বাই সাইকেল বা ই-বাইকের কোন বিকল্প নেই। হাঁপিয়ে ওঠা নাগরিক জীবন যখন যানজটে স্থবির, তখন হয়তো কেউ কেউ অল্প একটু জায়গা দিয়ে ছুটে চলতে পারছেন ই-বাইক নিয়ে। তাই অনেকের কাছেই অন্যতম পছন্দের ও বিকল্প বাহন হিসেবে স্থান করে নিচ্ছে পরিবেশবান্ধব ই-বাইক। শুধু বিকল্প বাহনই নয়, বরং আজকাল অনেকটা ফ্যাশনের অংশ হিসেবেও এর জুড়ি নেই। যানজট ছাড়া ই-বাইকের আরো কিছু সুবিধে রয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে জগিংয়েরও ভালো একটি অনুসঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে ই-বাইক।

বাই সাইকেলের উন্নত সংস্করণ হিসেবে ই-বাইকের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ই-সাইকেল ইলেকট্রিক কনসালট্যান্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালেই বিশ্বব্যাপী তিন কোটি ৪০ লাখ ই-বাইক বিক্রি হয়েছে। এর বেশিরভাগ বিক্রি হয়েছে ইউরোপ এবং চীনের বাজারে। ধীরে ধীরে অনেক দেশে বাড়ছে এর চাহিদা। ২০১৬ সালের তুলনায় ২৫ শতাংশ বিক্রি বেড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ই-সাইকেল ইলেকট্রিক কনসালট্যান্টির জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পরিচালক এডওয়ার্ড বেঞ্জমিন জানান, ২০০৪ সালের পর থেকে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় দারুণ সম্ভাবনা তৈরি হয় ই-বাইক শিল্পে। আগে শুধু ল্যাপটপ, স্মার্টফোন এবং ইলেকট্রিক গাড়িতে লিথিয়াম আয়নের ব্যাটারি ব্যবহূত হলেও দাম কমার ফলে ই-বাইকেও এটির ব্যবহার শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউরোপের বাজারে ই-বাইকের বিক্রি হুহু করে বেড়েছে। ঘণ্টায় ২৮ মাইল বেগে (৪৫ কিলোমিটার) চলতে সক্ষম ই-বাইক। উন্নতমানের ই-বাইকের দাম এক হাজার ডলার থেকে তিন হাজার ডলারে মধ্যে। মডেল এবং সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে এই দাম আরো বাড়তে পারে। তবে ই-বাইক নির্মাতারা চেষ্টা করছেন দাম আরো কমিয়ে আনতে। বৈদ্যুতিক লাইন থেকে কয়েক মিনিটেই চার্জ করে ফেলা যাবে এই বাইক। আর চার্জ শেষ হয়ে গেলেও চিন্তা নেই, স্বাভাবিক বাই সাইকেলের মতো প্যাডেল দিয়েই চালানো যাবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*