ফেসবুকে সমস্যা, বসে থাকবেন না জাকারবার্গ

ফেসবুকে সমস্যা, বসে থাকবেন না জাকারবার্গ

নতুন বছরে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। এ বছর তাঁর লক্ষ্য হচ্ছে ‘ফেসবুক ঠিক করা’। তবে কি ফেসবুক ঠিক নেই? জাকারবার্গের ভাবনায় ফেসবুক ঠিক আগের মতো নেই। বেশ কিছুটা অগোছালো হয়ে পড়েছে।

২০০৯ সাল থেকে বছরের শুরুতে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করে বা চ্যালেঞ্জ নিয়ে সবাইকে জানান জাকারবার্গ। এর আগে প্রতিদিন টাই পরা, মান্দারিন ভাষায় কথা বলা, নিজের শিকার করা প্রাণীর মাংস খাওয়ার মতো চ্যালেঞ্জ নেন তিনি। গত বছরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য ঘোরার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। এ বছর ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জের চেয়ে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাকারবার্গ লিখেছেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিপীড়ন থেকে সুরক্ষা দেওয়া, রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং ব্যবহারকারীদের ফেসবুকের সময়টাকে উপভোগ্য করে তোলার নিশ্চয়তা বাড়াতে কাজ করবেন তিনি।

এককথায় বলা যায়, ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী হিসেবে তাঁর কাজটি করে যেতে চান জাকারবার্গ।

ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘এটা কোনো ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ নয়, কিন্তু আমার মনে হয়, এসব বিষয়ে গভীর মনোযোগ দিয়ে কিছু শিখতে পারব। আমি ভিন্ন কিছু করব।’

জাকারবার্গ স্বীকার করেন, ‘সব ভুল বা নিপীড়ন ঠেকাতে পারব না সত্যি, তবে এখন অনেক বেশি ভুল করছি।’

২০১৭ সালটি ফেসবুকের জন্য ভালো যায়নি। মার্কিন নির্বাচনে ফেসবুকের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের মুখোমুখি হতে হয়েছে, বিশ্বে ফেসবুকের ভূমিকা নিয়ে সাবেক ও বিনিয়োগকারীদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। সমস্যাগুলো সমাধান করা ছাড়া তার আর কোনো পথ খোলা নেই। ওয়াশিংটন, ইউরোপসহ অন্যান্য দেশ থেকে নিখুঁত ফল জানাতে বলা হচ্ছে। ২০০ কোটি ব্যবহারকারীর প্ল্যাটফর্ম এটি। এতে ভুয়া, মিথ্যা ও সরকারিভাবে উদ্দেশ্যমূলক উন্মুক্ত করা তথ্যে ব্যবহারকারী উদ্বেগে পড়তে পারেন। ফেসবুক ব্যবহার ছেড়ে দিতে পারেন।

ঠিক নয় বছর আগে জাকারবার্গ যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন, এবারের চ্যালেঞ্জটাকে তার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

জাকারবার্গ লিখেছেন, ‘ওই সময় অর্থনৈতিক মন্দায় ফেসবুক লাভজনক ছিল না। ফেসবুক যাতে টেকসই ব্যবসায় মডেলে রূপান্তরিত হয়, এ কারণে গুরুত্ব দিতে হয়েছিল। ওই বছর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিদিন টাই পরতে হয়েছিল বলে মনে পড়ে। এ বছরটিও আগেরবারের মতোই মনে হচ্ছে।’ তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*